Showing posts with label জাতীয়. Show all posts
Showing posts with label জাতীয়. Show all posts

Saturday, April 11, 2015

‘প্রাণের মালিক আল্লাহ, প্রেসিডেন্ট নন’ -কামারুজ্জামান

কামারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে জেল গেটে স্বজনেরা
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামান বলেছেন, রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না। কারণ প্রাণ দেয়ার মালিক আল্লাহ, নেয়ার মালিকও তিনি। রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষা দেয়ার কে? আল্লাহর কাছেই প্রাণভিক্ষা চাইব।
আজ শনিবার বিকেলে পরিবারের সদস্যরা কারাগারে কামারুজ্জামানের সাথে সাক্ষাত করতে গেলে তিনি তাদের কাছে একথা বলেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার বড় ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামী। সাক্ষাত শেষে বিকেল পাঁচটা ১০ মিনেটে কারাগার থেকে বের হন তারা। এর আগে বিকেল চারটা পাঁচ মিনিটে কামারুজ্জামানের সাথে দেখা করতে কারাগারে প্রবেশ করেন পরিবারের ২১ সদস্য।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার গেট থেকে সামান্য দূরে এসে কামারুজ্জামানের বড় ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামী সাংবাদিকদের আরো বলেন, তার পিতা সুস্থ আছেন এবং মানসিকভাবে দৃঢ় আছেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের হাসিমুখে বিদায় দিয়েছেন এবং পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকেও হাসিমুখে বিদায় নিয়েছেন। তার মনোবল দৃঢ় আছে। তিনি সুস্থ আছেন। ফাঁসির ব্যাপারে তিনি মোটেও বিচলিত নন।
ওয়ামী বলেন, কামারুজ্জামান বলেছেন, ‘দুইজন ম্যাজিস্ট্রেট গতকাল শুক্রবার আমাকে কিছুই জিজ্ঞাসা করেননি। এমনকি তারা কথাও বলেননি। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিথ্যাচার করেছেন।’ এ ছাড়া ১৮ বছরের ছেলেকে যুদ্ধাপরাধী সাজিয়ে সরকার স্বার্থ হাসিল করছে বলেও পরিবারকে জানিয়েছেন কামারুজ্জামান।
ওয়ামী অভিযোগ করেন, সরকার প্রাণভিক্ষার নামে গত কয়েকদিন ধরে তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য সময়ক্ষেপণ করেছে। কামারুজ্জামান সুস্থ এবং সবল আছেন। তিনি এদেশে ইসলামী আন্দোলনের বিজয় কামনা করেছেন।
কামারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে জেল গেটে স্বজনেরা
কামারুজ্জামানের ছেলে আরো বলেন, ‘আমার বাবা বলেছেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিচারপতিরা মিথ্যা সাক্ষীর ওপর ভিত্তি করে নিজেদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার জন্যই আমাকে ফাঁসি দিচ্ছে। এটি একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। আল্লাহ তাদের কেয়ামতের ময়দানে বিচার করবেন।’
শেষ ইচ্ছা হিসেবে জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবির বাংলাদেশের মাটিতে ইসলাম কায়েম করবে এমনটাই আশা করেন তিনি। যে আদর্শ তিনি ধারণ করেন তরুণ প্রজন্ম সেই আদর্শ বাস্তবায়ন করবে। তিনি বলেছেন, আমি বাংলাদেশে ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলাম। এখন তরুণ প্রজন্ম এ আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাবে। তারাই এ অন্যায়ের জবাব দেবে। বাবা আমাদের সৎ পথে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।

Tuesday, December 16, 2014

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে তাঁরা স্মৃতিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শ্রদ্ধা জানান। এর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রদ্ধা জানান। এ সময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলের পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধের বেদিতে ফুল দেন। এ সময় দলের নেতা-কর্মীরা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির নেত্রীর শ্রদ্ধা: সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া স্মৃতিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় দলের নেতা-কর্মীরা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

Tuesday, November 11, 2014

চাকরির জন্য লোক ধরাধরি অবমাননাকর: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষা সমাপনের পর চাকরির জন্য এখানে-সেখানে লোকজনকে ধরাধরি করা শিক্ষিত লোকজনের জন্য অবমাননাকর। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির (আইসিটি) সহায়তা নিয়ে উদ্যোক্তা হয়ে অন্যদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য দেশের যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তাদের সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র (ইউআইএসসি) হিসেবে পরিচিত চার হাজার ৫০০ ডিজিটাল সেন্টারের প্রায় ১১ হাজার উদ্যোক্তা এ সম্মেলনে যোগ দেন। খবর বাসসের। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই না, আমাদের যুবসমাজ তাদের চাকরির জন্য এখানে-সেখানে ঘোরাফেরা করুক। অন্যের ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে আমাদের যুবসমাজ স্ব-উদ্যোক্তায় পরিণত হোক, নিজের পায়ে দাঁড়াক এবং অন্যের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করুক।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রতিটি ব্যক্তিকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করার লক্ষ্যেই ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। নিজের পায়ে দাঁড়ানো শুধু বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, আমরা আমাদের বেকার যুবকদের জন্য এমন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব, যাতে তাঁরা বিদেশে গিয়েও কর্মসংস্থান করতে পারে।’ প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তাদের দেশের ‘ডিজিটাল সন’ হিসেবে উল্লেখ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আত্মনিয়োগ করতে আহ্বান জানান। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব এম মঞ্জুর হোসেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এবং ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর পাওলিন তামেসিস বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।
>>রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আজ মঙ্গলবার ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তাদের সম্মেলনে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা