Showing posts with label এম.এ মান্নান. Show all posts
Showing posts with label এম.এ মান্নান. Show all posts

Friday, July 18, 2014

কুতুবদিয়ায় ঘরহারা মানুষের চরম দুর্গতি জোয়ারের পানিতে ক্ষতি ৫ কোটি টাকা by এম.এ মান্নান

কুতুবদিয়ায় গত এক সপ্তাহে ভরা পূর্ণিমার জোয়ারের পানি উঠে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকার বেশি। উত্তর ধুরুং ইউনিয়নে,কাইছার পাড়া, পূর্ব চর ধুরুং বেড়িবাধঁ ভেঙে এবং উপজেলার  আলী আকবর ডেইল,তাবোরের চর, কুমিড়া ঘোনা, বড়ঘোপ দক্ষিণ অমজাখালী,কেয়ারবিল মলম চর, পশ্চিম ঘিলা ছড়ি প্রভৃতি স্থানের ভাঙা বেড়িবাধঁ দিয়ে অবাধে পূর্ণিমার ফুঁসে ওঠা পানি প্রবেশ করে লোকালয়ে। এতে ঘরহারা মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।

গত ৭ দিনে সব চেয়ে ক্ষতি হয়েছে উত্তর ধুরুং ইউনিয়নে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বে জোয়ারের মাত্র দু‘দিন আগে পূর্ব চর ধুরুং ৩০০ মিটার ভাঙা বেরিবাধঁ জরুরী মেরামত শেষ করেন হারুন ও গিয়াস নামের দু‘জন ঠিকাদার। জমানো  বস্তার পরিবর্তে সেখানে কাচা মাটি দিয়ে সংস্কার করায় জোয়ারের পানির ধাক্কায় দ্রুত ভেঙে যায় বলে স্থানীয় বাসিন্দা মিজবাহ উদ্দিন অভিযোগ করেন। সেখানে শক্ত ভাবে কাজ না হওয়ায় পুরো ইউনিয়নে ৭ দিন চলে লোনা পানির তান্ডব।
তলিয়ে যায় প্রায় ৫‘শ কাচা ঘর-বাড়ি সহ ৫‘শ হেক্টর  সদ্য রোপিত আউশ জমিতে।  মাটির দেয়াল সহ অন্তত: ৩০০ বাড়ি দেবে গেছে দু‘দিনের মধেই। হাঁস-মুরগী,গরু.ছাগল,পুকুর মাছ কিছুই বাদ যায়নি ক্ষতির কবল থেকে।  অনেকে বাড়ির  আসবাব-পত্র বের করার সুযোগও পাননি। আশ্রয় নিয়েছে আজম সড়কে। ওই ইউনিয়নে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমিতে  আউশ চাষ করা হয়েছিল। লোনা পানিতে ধান মরে যাওয়ার আশংকায় দিন কাটছে চাষিদের। নয়াকাটা,জইজ্যার পাড়া,মনছুর হাজীর পাড়া, চাইন্দার পাড়া,কাইছার পাড়া প্রভৃতি গ্রামে চলছে শোকের ছায়া।এখন পর্যন্ত সরকারি কোন সাহায্য মেলেনি দূর্ভোগী-গৃহহারাদের। প্রশিক্ষন গ্রহণের জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান,নির্বাহি অফিসার সবাই দ্বীপের বাইরে রয়েছেন।এমনকি দূর্যোগপূর্ণএলাকা উত্তর ধুরুং ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দৌলাহ  তিনিও মামলার দরুণ লাপাত্তা। পাশে নেই কেউ। দক্ষিন ধুরুংইউপি চেয়ারম্যান নিজ উদ্যোগে ১২১ পরিবারে চাল,চিড়া,নগদ অর্থ প্রদান করলেও তা যথেষ্ট নয় বলে জানান ইউপি সদস্য ওমর ফারুক।উপজেলায় জোয়ারে প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছে  ভূক্তভোগীরা জানান।
এ দিকে আলী আকবর ডেইল, তাবারের চর, খুদিয়ার টেক, জেলে পাড়া, অমজাখালী, নাছিয়ার পাড়া,কিরণ পাড়া, কৈয়ারবিল, লেমশীখালীর উপকুল এলাকায় অন্তত: দেড় হাজার হেক্টর রোপিত আউশ দু‘দফায় বিনষ্ট হয়ে পড়েছে। নাছিয়ার পাড়ার চাষি মৌং জয়নাল আবেদীন বলেন, তার ৩ একর রোপিত আউশ বিনষ্ট হয়ে গেছে। আবার রোপন করার চারা নেই তার।উপজেলা উদ্বিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন বলেন,উত্তর ধুরুংইউনিয়নে আউশ চাষের ৭০০ হেক্টর জমি রয়েছে। বেশ কয়েকজন  চাষীদের মতে দেড়‘শ হেক্টর জমির চারা বিনষ্ট  হতে পারে বলে জানান। তবে বৃষ্টি হলে ক্ষতির পরিমাণ কমে যাবে বলে তিনি মনে করেন।
জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়া ক্ষতি- গ্রস্ত পরিবারের সাহায্যে সরকারি ত্রাণ পৌছেনি। খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে শত শত গৃহহারা মানুষ। গতকাল বৃহ:বার জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য  মুহাম্মদ শফিউল আলম কুতুবী বৃহস্পতিবার দূর্গত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের খোঁজ-খবর নেন। বেড়িবাঁধের জরুরী নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পোঁছানোর জন্য সরকারের প্রতি জোরালো দাবী জানিয়েছেন তিনি।  মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাটির জরুরী বাঁধ সংস্কারের টেন্ডার হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের অসাধু কর্তা ব্যক্তি ও সংষ্ট­ দুর্নিতিবাজ টিকাদারের অবহেলায় এই মানবিক বিপর্যয়সহ খাদ্য নরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন কুতুবদিয়া বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আ.স.ম.শাহরিয়ার চৌধূরীসহ আরো অনেকে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উত্তর ধূরুংয়ের চরধূরুং এলাকা দিয়ে  আসা পানি পশ্চিম চরধূরুং, জমির বাপের পাড়া, কাইছার পাড়া, পিল্লার পাড়া, কালারমার পাড়া, ফুড়ার পাড়া ও হায়দার পাড়া তলিয়ে গিয়েছে। পরে আজম রোড ভেঙ্গে দক্ষিণে মনছুর আলী হাজী পাড়া, নয়া পাড়া, আইক্কার পাড়া, চাইন্দার পাড়া, জহির আলী সিকদার পাড়া, নাপিত পাড়া, চাটি পাড়া, ফরিজ্যার পাড়া, আজিম উদ্দিন সিকদার পাড়া, ছাদের ঘোনা, বাঁকখালী, মনু সিকদার পাড়া, আকবরবলী পাড়া, নজুমিয়া বাপের পাড়া, ফয়জানি বাপের পাড়া ধ্বসে গিয়ে ব্যাপক ফসলহানি হয়েছে। দক্ষিণ ধূরুংয়ের মদন্যা পাড়া, অলি পাড়া, বাতিঘর পাড়া, লেমশীখালীর পেয়ারাকাটা, কৈয়ারবিলের মলমচর, বিন্দাপাড়া, বড়ঘোপের দক্ষিণ মুরালিয়া, আলী আকবর ডেইলের তাবালেরচর এলাকায় ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে অনবরত সমুদ্রের পানিতে জোয়ারভাটা চলছে। এতে করে এলাকার পুকুর-জলাশয় লবণ পানিতে টইটম্বুর। নলকূপ বিকল হয়ে সুপেয় পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গেল ‘জো-র’ পানি নেমে গেলে সংশ্লিষ্ট কাজের টিকাদারের নিয়োগকৃত সাব টিকাদার নামমাত্র মাটির কাজ করে বরাদ্ধের সমুদয় টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেন এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন। হাজার হাজার হেক্টর জমিতে ফসল উৎপাদন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এদিকে বেড়িবাধের বাইরে থাকা প্রায় ৯শ’পরিবারের জরুরী পুনর্বাসন দাবী করেন কৈয়ারবিলর ইউপি চেয়ারম্যান আজমগীর মাতবর। দ্বীপটির ৪০কি.মি. বেড়িবাঁধের মধ্যে প্রায় ১৫ কি.মি. অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনিসহ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা  কুমিল্লার বার্ডে প্রশিক্ষণে থাকার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুমিনুর রশিদ।

Thursday, July 17, 2014

কুতুবদিয়ায় দু’টি সড়কের বেহাল দশা ধুরুং জেটিতে ৫ বছর ধরে পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ by এম.এ মান্নান

কুতুবদিয়া ধুরুং জেটি ঘাটে পণ্য ওঠা-নামা হয়না ৫ বছর ধরে। জেটিতে যাত্রী ওঠা-নামা করলেও চট্টগ্রাম কিংবা কক্সবাজার থেকে বোট যোগে ব্যবসায়িরা মালামাল এনেও খালাস করেন না এই ঘাটে।ফলে জেটি মূলত: অকেজো হয়ে পড়ছে দিন দিন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধুরুং জেটিঘাটে শুধু যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় মালবাহি ট্রলি কিংবা যানবাহন যেতে পারেনা এইঘাটে। ধুরুংবাজার টু সতরুদ্দীন রোডে য্নাবাহন চলেনা কয়েক বছর যাবত। ৫ কিলোমিটার দূরত্বের এই সড়কটি সংস্কারের অভাবে রিকসা পর্যন্ত চলেনা এখন। একই ভাবে ধুরুংবাজার টু মিরাখালী সড়কে পেয়ারাকাটা পর্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করলেও সেখান থেকে বেড়িবাধঁ হয়ে ধুরুংঘাট পর্যন্ত যানবাহন চলেনা। মাত্র আধা কিলোমিটার কাচাঁরাস্তা  যানবাহন চলাচলের অন্তরায় হয়ে আছে।
ধুরুং জেটিঘাটে যাতায়াতের দু‘টি সড়কের বেহাল দশায় মালবাহি ট্রলি চলাচল করছেনা। যে কারণে জেটি থাকলেও পন্য খালাস সম্ভব হচ্ছেনা। প্রতিদিন ধুরুংবাজারের অন্তত: চার‘শ ছোট-বড় ব্যবসায়িদের চট্টগ্রাম থেকে বোট যোগে মালামাল দরবার জেটিঘাটে খালাস করে ৭ কিলোমিটার ঘুরে ধুরুংবাজারে নিয়ে আসতে হচ্ছে। ঘাটের মালামাল পরিবহনে ট্রলি শ্রমিক বলেন,ধুরুং জেটি ঘাটে ব্যবসায়িদের পণ্য খালাস হয়না ৫ বছর ধরে। ফলে দরবার জেটিতে মাল খালাস করে ৭ কি.মিটার ঘুরে বাজারে পণ্য নেয়া হচ্ছে।
মালামাল পরিবহনের মাঝি বধির চন্দ্র দাস বলেন, ধুরুং জেটিতে পণ্য খালাস হয়না প্রায় ৪/৫ বছর। মালবাহি ট্রলি চলেনা। এ ছাড়া দরবার জেটি ঘাটে পণ্যের অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়। প্রতি বস্তাকাচা মারিচ ১৫ টাকা,ঔষধের কার্টন ১০০ থেকে ২০০ টাকা। আটা,ময়দা, চাউল সব পণ্যের জেটি মাশুল বেশি দিতে হয়।প্রতি দিন গড়ে শুধু ধুরুং বাজারের ব্যবসায়িদের ২০-২৫ টি ট্রলি মালামাল যাচ্ছে। ধুরুং জেটির চেয়ে কয়েকগুণ খরচ বেশি পড়ে দরবার জেটি দিয়ে পরিবহন করলে।ধুরুং বাজারে যমুনা অয়েল কোম্পানীর ডিলার এস.এম মন্জুর আলম,হার্ডওয়ার ও আরএফএল ডিলার এম.শওকত আলম,মুদি ব্যবসায়ি বাবু চিত্ত রঞ্জন বিশ্বাস,কসমেটিক্স ব্যবসায়ি নেজাম উদ্দিন বলেন,ধুরুং জেটিঘাট সড়কে পরিবহন সুবিধা না থাকায় ৭ কিলোমিটার অদূরে দরবার জেটিতে তাদের পন্য খালাস করে মালামাল নিয়ে আসতে হচ্ছে। এতে সময় ও পরিবহন খরচ উভয়ই বেশি যাচ্ছে ।পেয়ারাকাটা থেকে ধুরুং জেটি পর্যন্ত মাত্র আধা কিলোমিটার রাস্তা ইটসলিন করার দাবি জানান তারা।
ধুরুং জেটি ঘাটের ইজারাদার বদি আলম বলেন, বর্তমানে জেটিতে শুধু যাত্রী ওঠা-নামা করে থাকে। পণ্য খালাস হয়না ৫ বছর যাবত। গত পাঁচ বছরে জেটি ইজারায় তার প্রায় ৭ লক্ষ টাকা লোকসান গুণতে হয়েছে। বছরে ৪/৫ লক্ষ টাকা ইজারা নিয়ে লাভের মুখ দেয়া যায়না।  পণ্য পরিবহনে ট্রলি বা ট্রাক যাতায়াত করতে পারেনা সড়কের বেহাল দশা- সংস্কারের অভাবে।বছরের পর বছর এ ভাবেই চলছে সংস্কার বিহীন গুরুত্ব পূর্ণ রাস্তা দু‘টি। যে কারণে জেটি ইজারা নিয়েও তাকে প্রতিবছর  লোকসান গুনতে হচ্ছে।তিনিও পেয়ারাকাটা থেকে ধুরুং জেটি পর্যন্ত অন্তত: ইটসলিন করার দাবি জানান।

Monday, April 21, 2014

ধুরুং জীপ ষ্টেশনে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি চরমে by এম.এ মান্নান

কুতুবদিয়া ধুরুং বাজার জীপ ষ্টেশনে ব্যস্ত সড়কে নর্দমার পানিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জানবাহন সহ সাধারণ পথচারীদের চলাচল দুষ্কর হয়ে পড়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ভূক্তভোগীরা জানান,উপজেলার অন্যতম ব্যবসা কেন্দ্র ধুরুং বাজার জীপ ষ্টেশন এলাকায় স্থানীয় ধুরুং হাই স্কুল ও ধুরুং স.প্রা.বিদ্যালয়ের নলকুপের পানি নর্দমা দিয়ে ব্যস্ত সড়কে গড়িয়ে পড়ছে প্রতিনিয়ত।

স্থানটি মূলত: নীচু হওয়ায় দু‘টি বিদ্যালয়ের নালা-নর্দমার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের উপর জমা থাকছে ময়লা পানি। এখানে জীপ ও টেক্সী ষ্টেশন  ছাড়াও শত শত জানবাহন চলাচল করায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে নর্দমার দূর্গন্ধ পানি জমা হয়ে জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই। হাঁটু পানি জমে যায় সেখানে।এতে যানবাহন সহ পথচারিদের সড়ক পারাপার বন্ধের উপক্রমে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

জীপ ষ্টেশনের দায়িত্বরত লাইনম্যান আহমদ উল্লাহ ,কুতুবদিয়া জীপ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক চালক মো.কেফায়েত উল্লাহ বলেন,বিদ্যালয়ের ড্রেনের পানি গড়িয়ে রাস্তায় জমা হয়ে থাকছে। বর্ষা মওসুমে বৃষ্টি হলেই যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে বিদ্যালয়ের নালা দিয়ে আসা ময়লা পানি জমে থাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল ছাড়াও যানবাহন ঘোরাতে-ফেরাতে ভোগান্তি বেড়েছে।বিদ্যালয়ের ড্রেনের পানি নিষ্কাশনে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা।

ধুরুং হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোর্শেদুল আলম বলেন,আগে পাইপ দ্বারা ড্রেনেজ ব্যবস্থাা ছিল। রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে সেটি ফেটে যাওয়ায় নিষ্কাশন বন্ধ রয়েছে। আর্থিক সংকটে নতুন ড্রেনেজ ব্যবস্থা সম্ভব হয়নি।নলকুপের পানি ছাড়াও সেখানে বৃষ্টিতেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বিকল্প ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য তিনি চেষ্টা করছেন বলে জানান।

Friday, January 17, 2014

কুতুবদিয়ায় ড.জাফর স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত by এম.এ মান্নান

কুতুবদিয়ায় লেমশীখালী ষ্টুডেন্ট এসোসিয়েশন‘র উদ্যোগে লেমশীখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশিষ্ট ইকোলজিষ্ট ও সামুদ্রিক বিজ্ঞানী মরহুম প্রফেসর ড.মোহাম্মদ জাফর‘র স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
একই সাথে স্থানীয় লেমশীখালীতে জেএসসি,জেডিসি ও পিএসসিতে কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। সভায় লেমশীখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ শরীফ সভাপতিত্ব করেন।

এতে উপজেলা চেয়ারম্যান এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথির মাঝে বক্তব্য রাখেন মরহুম ড. জাফরের ছেলে রাফি মোহাম্মদ ফয়সাল,দক্ষিন ধুরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলা উদ্দিন আল আজাদ, কৃষি কর্মকর্তা আতিক উল্লাহ, সমাজ সেবক মোহাম্মদ তাহের, অধ্যক্ষ আবু মুছা, প্রধান শিক্ষক শুকুর আলম আজাদ, প্রেসক্লাব সেক্রেটারী হাছান কুতুবী ও প্রধান শিক্ষক আবু ইউছুফ প্রমূখ।

পরে জেএসসি, জেডিসি ও পিএসসি পরীক্ষায়  কৃতিত্বের জন্য ১২৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে পুরুষ্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন মো.ইমতিয়াজ।

উল্লেখ্য, কুতুবদিয়া লেমশীখালীর কৃতি সন্তান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক বিজ্ঞানী প্রফেসর ড.মোহাম্মদ জাফর গত বছর ১৩ সেপ্টেম্বর ইন্তেকাল করেন।