Showing posts with label দক্ষিণ ধুরুং. Show all posts
Showing posts with label দক্ষিণ ধুরুং. Show all posts
Thursday, January 8, 2015
ধূরুং ক্যামব্রিয়ান স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন by হাছান কুতুবী

শিক্ষার
গুণগতমান পরিবর্তনের ওপেন চ্যালেঞ্জ হিসেবে উপজেলার ধূরুংবাজার সংলগ্ন এক
মনোরম পরিবেশে স্থাপিত ‘ধূরুং ক্যামব্রিয়ান স্কুলের’ শিক্ষা কার্যক্রমের
শুভ যাত্রা শুরু করেছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজদৌল্লাহর সভাপতিত্বে
বুধবার এক বর্নাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্টানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
এ.টি.এম.নুরুল বশর চৌধূরী প্রধান অতিথি ছিলেন। এতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জালাল আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির হায়দার,
দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন আল-আযাদ, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের
সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হাছান কুতুবী, দু’ প্রবীণ শিক্ষক নজরুল ইসলাম,
মুহাম্মদ আবু বকরসহ এলাকার সর্বস্তরের গন্যমান্য ব্যক্তি ও অভিভাবকগণ বিশেষ
অতিথি ছিলেন। এক লাখ টাকার অনুদান দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে উপযুক্ত শিক্ষক
নিয়োগ করে আধুনিক কারিকুলামে শিক্ষা প্রদানের জন্য স্কুল পরিচালকদের
পরামর্শ দেন অনুষ্টানের প্রধান অতিথি। স্কুলের অন্যতম প্রতিষ্টাতা পরিচালক
মাসুদুল ইসলাম সবুজের সঞ্চালনায় অনুষ্টানে পরিচালক ইনামুল হকসহ অন্যরা
বক্তব্য রাখেন।
(হাছান কুতুবী-০৭-জানুয়ারি)
(হাছান কুতুবী-০৭-জানুয়ারি)
Friday, November 21, 2014
কক্সবাজার জেলার সেরা চেয়ারম্যানের সম্মাননা অর্জনে কুতুবদিয়ায় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ সংবর্ধিত by জেসমিন আখতার


উপজেলার
দক্ষিণ ধূরুং ইউপির সফল চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আলাউদ্দিন আল-আজাদকে
গন-সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ব্যক্তিত্ব স্মৃতি পরিষদ
কর্তৃক কক্সবাজার জেলার সফল চেয়ারম্যান ও সমাজসেবক হিসেবে শের-ই-বাংলা
এ.কে.ফজলুল হক সম্মাননা-২০১৪ লাভ করায় স্বত:স্ফূর্তভাবে এলাকাবাসীর
বর্নাঢ্য আয়োজনে তাকে এ বিশাল সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। প্রবীণ আলেমেদ্বীন
মাওলানা মোছলেহ্ উদ্দিনের সভাপতিত্বে শুক্রবার ধূরুং হাইস্কুল ময়দানে
অনুষ্টিত সভায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির
হায়দার প্রধান অতিথি ছিলেন। অনুষ্টানে এলাকার সর্বস্তরে মানুষ সংবর্ধিত
অতিথিকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করেন। রাজাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ ছলিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সভায় রাজনীতিক ও
সমাজসেবক মুহাম্মদ তাহের, ধূরুং হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোরশেদুল আলম,
সতরুদ্দীন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শুক্কুর আলম আজাদ, লেমশীখালী
হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আবু ইউসুফ, কুতুবদিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ
সম্পাদক সাংবাদিক হাছান কুতুবী, প্রবীণ শিক্ষক আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান,
মাষ্টার ফরিদুল আলম, ধূরুং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
সরওয়ার আলম, স্থানীয় ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি মোতাহের হোছাইন, মাষ্টার জয়নুল
আবেদীন, মাষ্টার আবুল হোছাইন, ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য ও এলাকার গন্যমান্য
ব্যক্তিগণ বিশেষ অতিথি ছিলেন। এতে মাষ্টার নুরুল আবছার কুতুবী, মাদ্রাসা
সুপার মাহফুজুর রহমান ও মাষ্টার মোস্তান মাহমুদ বক্তব্য রাখেন। সংবর্ধিত
চেয়ারম্যান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তার অর্জিত সম্মাননা এলাকাবাসীর প্রতি
উৎসর্গ করেন। শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্টান পরিবেশিত হয়।
Thursday, July 17, 2014
কুতুবদিয়ায় দু’টি সড়কের বেহাল দশা ধুরুং জেটিতে ৫ বছর ধরে পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ by এম.এ মান্নান
কুতুবদিয়া ধুরুং জেটি ঘাটে পণ্য ওঠা-নামা হয়না ৫ বছর ধরে। জেটিতে যাত্রী ওঠা-নামা করলেও চট্টগ্রাম কিংবা কক্সবাজার থেকে বোট যোগে ব্যবসায়িরা মালামাল এনেও খালাস করেন না এই ঘাটে।ফলে জেটি মূলত: অকেজো হয়ে পড়ছে দিন দিন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধুরুং জেটিঘাটে শুধু যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় মালবাহি ট্রলি কিংবা যানবাহন যেতে পারেনা এইঘাটে। ধুরুংবাজার টু সতরুদ্দীন রোডে য্নাবাহন চলেনা কয়েক বছর যাবত। ৫ কিলোমিটার দূরত্বের এই সড়কটি সংস্কারের অভাবে রিকসা পর্যন্ত চলেনা এখন। একই ভাবে ধুরুংবাজার টু মিরাখালী সড়কে পেয়ারাকাটা পর্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করলেও সেখান থেকে বেড়িবাধঁ হয়ে ধুরুংঘাট পর্যন্ত যানবাহন চলেনা। মাত্র আধা কিলোমিটার কাচাঁরাস্তা যানবাহন চলাচলের অন্তরায় হয়ে আছে।
ধুরুং জেটিঘাটে যাতায়াতের দু‘টি সড়কের বেহাল দশায় মালবাহি ট্রলি চলাচল করছেনা। যে কারণে জেটি থাকলেও পন্য খালাস সম্ভব হচ্ছেনা। প্রতিদিন ধুরুংবাজারের অন্তত: চার‘শ ছোট-বড় ব্যবসায়িদের চট্টগ্রাম থেকে বোট যোগে মালামাল দরবার জেটিঘাটে খালাস করে ৭ কিলোমিটার ঘুরে ধুরুংবাজারে নিয়ে আসতে হচ্ছে। ঘাটের মালামাল পরিবহনে ট্রলি শ্রমিক বলেন,ধুরুং জেটি ঘাটে ব্যবসায়িদের পণ্য খালাস হয়না ৫ বছর ধরে। ফলে দরবার জেটিতে মাল খালাস করে ৭ কি.মিটার ঘুরে বাজারে পণ্য নেয়া হচ্ছে।
মালামাল পরিবহনের মাঝি বধির চন্দ্র দাস বলেন, ধুরুং জেটিতে পণ্য খালাস হয়না প্রায় ৪/৫ বছর। মালবাহি ট্রলি চলেনা। এ ছাড়া দরবার জেটি ঘাটে পণ্যের অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়। প্রতি বস্তাকাচা মারিচ ১৫ টাকা,ঔষধের কার্টন ১০০ থেকে ২০০ টাকা। আটা,ময়দা, চাউল সব পণ্যের জেটি মাশুল বেশি দিতে হয়।প্রতি দিন গড়ে শুধু ধুরুং বাজারের ব্যবসায়িদের ২০-২৫ টি ট্রলি মালামাল যাচ্ছে। ধুরুং জেটির চেয়ে কয়েকগুণ খরচ বেশি পড়ে দরবার জেটি দিয়ে পরিবহন করলে।ধুরুং বাজারে যমুনা অয়েল কোম্পানীর ডিলার এস.এম মন্জুর আলম,হার্ডওয়ার ও আরএফএল ডিলার এম.শওকত আলম,মুদি ব্যবসায়ি বাবু চিত্ত রঞ্জন বিশ্বাস,কসমেটিক্স ব্যবসায়ি নেজাম উদ্দিন বলেন,ধুরুং জেটিঘাট সড়কে পরিবহন সুবিধা না থাকায় ৭ কিলোমিটার অদূরে দরবার জেটিতে তাদের পন্য খালাস করে মালামাল নিয়ে আসতে হচ্ছে। এতে সময় ও পরিবহন খরচ উভয়ই বেশি যাচ্ছে ।পেয়ারাকাটা থেকে ধুরুং জেটি পর্যন্ত মাত্র আধা কিলোমিটার রাস্তা ইটসলিন করার দাবি জানান তারা।
ধুরুং জেটি ঘাটের ইজারাদার বদি আলম বলেন, বর্তমানে জেটিতে শুধু যাত্রী ওঠা-নামা করে থাকে। পণ্য খালাস হয়না ৫ বছর যাবত। গত পাঁচ বছরে জেটি ইজারায় তার প্রায় ৭ লক্ষ টাকা লোকসান গুণতে হয়েছে। বছরে ৪/৫ লক্ষ টাকা ইজারা নিয়ে লাভের মুখ দেয়া যায়না। পণ্য পরিবহনে ট্রলি বা ট্রাক যাতায়াত করতে পারেনা সড়কের বেহাল দশা- সংস্কারের অভাবে।বছরের পর বছর এ ভাবেই চলছে সংস্কার বিহীন গুরুত্ব পূর্ণ রাস্তা দু‘টি। যে কারণে জেটি ইজারা নিয়েও তাকে প্রতিবছর লোকসান গুনতে হচ্ছে।তিনিও পেয়ারাকাটা থেকে ধুরুং জেটি পর্যন্ত অন্তত: ইটসলিন করার দাবি জানান।
Monday, April 21, 2014
ধুরুং জীপ ষ্টেশনে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি চরমে by এম.এ মান্নান
কুতুবদিয়া ধুরুং বাজার জীপ ষ্টেশনে ব্যস্ত সড়কে নর্দমার পানিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জানবাহন সহ সাধারণ পথচারীদের চলাচল দুষ্কর হয়ে পড়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ভূক্তভোগীরা জানান,উপজেলার অন্যতম ব্যবসা কেন্দ্র ধুরুং বাজার জীপ ষ্টেশন এলাকায় স্থানীয় ধুরুং হাই স্কুল ও ধুরুং স.প্রা.বিদ্যালয়ের নলকুপের পানি নর্দমা দিয়ে ব্যস্ত সড়কে গড়িয়ে পড়ছে প্রতিনিয়ত।

স্থানটি মূলত: নীচু হওয়ায় দু‘টি বিদ্যালয়ের নালা-নর্দমার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের উপর জমা থাকছে ময়লা পানি। এখানে জীপ ও টেক্সী ষ্টেশন ছাড়াও শত শত জানবাহন চলাচল করায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে নর্দমার দূর্গন্ধ পানি জমা হয়ে জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই। হাঁটু পানি জমে যায় সেখানে।এতে যানবাহন সহ পথচারিদের সড়ক পারাপার বন্ধের উপক্রমে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
জীপ ষ্টেশনের দায়িত্বরত লাইনম্যান আহমদ উল্লাহ ,কুতুবদিয়া জীপ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক চালক মো.কেফায়েত উল্লাহ বলেন,বিদ্যালয়ের ড্রেনের পানি গড়িয়ে রাস্তায় জমা হয়ে থাকছে। বর্ষা মওসুমে বৃষ্টি হলেই যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে বিদ্যালয়ের নালা দিয়ে আসা ময়লা পানি জমে থাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল ছাড়াও যানবাহন ঘোরাতে-ফেরাতে ভোগান্তি বেড়েছে।বিদ্যালয়ের ড্রেনের পানি নিষ্কাশনে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা।
ধুরুং হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোর্শেদুল আলম বলেন,আগে পাইপ দ্বারা ড্রেনেজ ব্যবস্থাা ছিল। রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে সেটি ফেটে যাওয়ায় নিষ্কাশন বন্ধ রয়েছে। আর্থিক সংকটে নতুন ড্রেনেজ ব্যবস্থা সম্ভব হয়নি।নলকুপের পানি ছাড়াও সেখানে বৃষ্টিতেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বিকল্প ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য তিনি চেষ্টা করছেন বলে জানান।
Thursday, April 17, 2014
ধুরুং স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার‘র নির্মাণ কাজ অর্থাভাবে বন্ধ
কুতুবদিয়ায় অর্থের অভাবে ধুরুং স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার‘র নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে আছে। এক কোটি ১৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জেলা শিক্ষ প্রকৌশল অধিদপ্তর এটি বাস্তবায়ন করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।ধুরুং হাই স্কুল সুত্র জানায়,ধুরুং হাই স্কুল ষ্টেডিয়াম সংলগ্ন স্থানে গত বছরের(২০১৩) অক্টোবরে স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টারের নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। নির্মাণ কাজের প্রায় ৬৫ ভাগ শেষ হলেও গত দেড় মাস যাবৎ নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখেছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।যে কারণে নির্দিষ্ট সময়ে স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টারটি নির্মাণ শেষ হবে কিনা সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে। ধুরুং হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোর্শেদুল আলম বলেন,শেল্টার নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে প্রায় দু‘মাস ধরে।বিদ্যালয়ে বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কক্ষের সংকুলান হচ্ছেনা। স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টারটি দ্রুত নির্মাণ হলে এ সমস্যা দূর হতো।উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে প্রযোজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান তিনি।

শেল্টারটি নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স খোরর্শেদ আলম‘র স্বত্বাধিকারি খোরশেদ আলম বলেন,ধুরুং স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মার্ণ কাজ প্রায় ৭০ ভাগ শেষ হয়েছে। ৭৬ লক্ষ টাকা তিনি ইতিমধ্যে খরচ করেছেন। বিল পেয়েছেন মাত্র ১২ লক্ষ টাকা। আর্থিক সমস্যায় কাজ আপাতত: বন্ধ রাখতে হয়েছে। তবে জুনের আগেই আবার তিনি কাজ শুরু করবেন বলে জানান।
জেলা নির্বাহি প্রকৌশলী(শিক্ষা) সমীর কুমার রজক দাস ধুরুং স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন,ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজের অগ্রগতি হিসেবে প্রয়োজনীয় অর্থ পাননি এটা ঠিক। ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার বিল বকেয়া হয়েছে। ঠিকাদারের বকেয়ার পরিমাণ প্রায় অর্ধ কোটি-এটা ঠিক নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবে আগামী জুনের আগেই বরাদ্ধ পাবেন বলে আশা করছেন। যত দ্রুত সম্ভব নির্মাণ কাজ শুরু করে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে বলে জানান।

শেল্টারটি নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স খোরর্শেদ আলম‘র স্বত্বাধিকারি খোরশেদ আলম বলেন,ধুরুং স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মার্ণ কাজ প্রায় ৭০ ভাগ শেষ হয়েছে। ৭৬ লক্ষ টাকা তিনি ইতিমধ্যে খরচ করেছেন। বিল পেয়েছেন মাত্র ১২ লক্ষ টাকা। আর্থিক সমস্যায় কাজ আপাতত: বন্ধ রাখতে হয়েছে। তবে জুনের আগেই আবার তিনি কাজ শুরু করবেন বলে জানান।
জেলা নির্বাহি প্রকৌশলী(শিক্ষা) সমীর কুমার রজক দাস ধুরুং স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন,ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজের অগ্রগতি হিসেবে প্রয়োজনীয় অর্থ পাননি এটা ঠিক। ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার বিল বকেয়া হয়েছে। ঠিকাদারের বকেয়ার পরিমাণ প্রায় অর্ধ কোটি-এটা ঠিক নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবে আগামী জুনের আগেই বরাদ্ধ পাবেন বলে আশা করছেন। যত দ্রুত সম্ভব নির্মাণ কাজ শুরু করে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে বলে জানান।
Sunday, March 23, 2014
লেমশীখালী, তেলিরকাটা, বাঁকখালী ও দক্ষিণ ধুরুং কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ
সাগরদ্বীপ কুতুবদিয়া উপজেলায় চারটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করেছে প্রশাসন। নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মনজুর আলম সিকদার ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রমিজ আহমদের সমর্থকদের ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই ও ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ঢুকিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোলযোগ দেখা দিলে প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেয়।

>>তেলিরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলার সময় আতঙ্কে কাঁদছেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হাসিনা আক্তার বিউটি। ছবি: আব্দুল কুদ্দুস।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে মনজুর আলম সিকদারের একদল সমর্থক উপজেলা সদরের বাঁকখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঢুকে কয়েক শ ব্যালট পেপার ছিনতাই করে সিল মেরে বাক্সে ঢুকিয়ে দেয়। এ সময় অন্যান্য প্রার্থীর এজেন্ট ও সমর্থকেরা হইচই শুরু করলে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ভোট গ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করেন।
একই সময়ে একই প্রার্থীর সমর্থকেরা উত্তর লেমশীখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল করেন এবং বিপুলসংখ্যক ব্যালট পেপার ছিনতাই করেন।
কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নুরুল আলম মিয়াজী বলেন, ব্যালট পেপার ও সিল ছিনতাই করার কারণে ভোট গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না।
পরে ঘটনাস্থল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাবুদ্দিন তিন ব্যক্তিকে আটক করেন। এরা হলেন মনজুর আলম সিকদারের পোলিং এজেন্ট মো. ইসহাক, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হাসিনা বেগমের এজেন্ট নুরুল হোসেন ও নুরুল ইসলাম।
সকাল সাড়ে ১০টায় ভোট গ্রহণ বন্ধ করা হয় তেলিরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।
ভোটাররা বলেন, সকাল ১০টায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ও একাধিক মামলার আসামি রমিজ আহমদের নেতৃত্বে একদল লোক তেলিরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল করে এবং ব্যালট পেপার ছিনতাই করে। কিছু ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ঢোকানো হয়। এ সময় রমিজের হাতে অবৈধ অস্ত্রও ছিল। রমিজ আহমদ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট গোলযোগ নিয়ন্ত্রণ করে কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত রাখেন।
বেলা ১১টায় ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয় দক্ষিণ ধুরুং হাবিবিয়া রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। মনজুর আলম সিকদারের ভাতিজা কামরুলের নেতৃত্বে একদল লোক কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে। এ সময় অন্যান্য প্রার্থীর সমর্থকেরা হইচই শুরু করলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করেন।
ওই কেন্দ্রে উপস্থিত সহকারী পুলিশ সুপার মো. খালেকুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, গোলযোগ সৃষ্টি করে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের কারণে ভোট গ্রহণ বন্ধ রাখা হয়েছে। যারা গোলযোগ সৃষ্টি করেছে তাদের ধরার চেষ্টা চলছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, বৈরী পরিবেশে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাধারণ ভোটাররা উত্সবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে এসে লাইনে দাঁড়ালেও কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাই ও ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ঢোকানোর ঘটনায় ভোটাররা হতাশ হয়ে ঘরে ফিরে যাচ্ছেন। অনেক ভোটার নিরাপত্তার আশঙ্কায় কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী অভিযোগ করেন, উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী নাগরিক কমিটির প্রার্থী মনজুর আলম সিকদারের পক্ষে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। এখন মনজুর আলমের পক্ষের লোকজন ভোটকেন্দ্র দখল ও ব্যালট ছিনতাই করলেও প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। একই অভিযোগ করেন, জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী আ স ম শাহরিয়ার চৌধুরী।
তবে ভোটকেন্দ্র দখল ও ব্যালট ছিনতাইয়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে মনজুর আলম সিকদার বলেন, অন্য প্রার্থীরা পরিকল্পিতভাবে ভোটকেন্দ্র দখল ও ব্যালট ছিনতাই করে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার রটাচ্ছেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও মো. মমিনুর রশিদ বলেন, গোলযোগের কারণে চারটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যান্য কেন্দ্রের নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে।
একই সময়ে একই প্রার্থীর সমর্থকেরা উত্তর লেমশীখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল করেন এবং বিপুলসংখ্যক ব্যালট পেপার ছিনতাই করেন।
কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নুরুল আলম মিয়াজী বলেন, ব্যালট পেপার ও সিল ছিনতাই করার কারণে ভোট গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না।
পরে ঘটনাস্থল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাবুদ্দিন তিন ব্যক্তিকে আটক করেন। এরা হলেন মনজুর আলম সিকদারের পোলিং এজেন্ট মো. ইসহাক, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হাসিনা বেগমের এজেন্ট নুরুল হোসেন ও নুরুল ইসলাম।
সকাল সাড়ে ১০টায় ভোট গ্রহণ বন্ধ করা হয় তেলিরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।
ভোটাররা বলেন, সকাল ১০টায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ও একাধিক মামলার আসামি রমিজ আহমদের নেতৃত্বে একদল লোক তেলিরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল করে এবং ব্যালট পেপার ছিনতাই করে। কিছু ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ঢোকানো হয়। এ সময় রমিজের হাতে অবৈধ অস্ত্রও ছিল। রমিজ আহমদ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট গোলযোগ নিয়ন্ত্রণ করে কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত রাখেন।
বেলা ১১টায় ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয় দক্ষিণ ধুরুং হাবিবিয়া রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। মনজুর আলম সিকদারের ভাতিজা কামরুলের নেতৃত্বে একদল লোক কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে। এ সময় অন্যান্য প্রার্থীর সমর্থকেরা হইচই শুরু করলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করেন।
ওই কেন্দ্রে উপস্থিত সহকারী পুলিশ সুপার মো. খালেকুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, গোলযোগ সৃষ্টি করে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের কারণে ভোট গ্রহণ বন্ধ রাখা হয়েছে। যারা গোলযোগ সৃষ্টি করেছে তাদের ধরার চেষ্টা চলছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, বৈরী পরিবেশে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাধারণ ভোটাররা উত্সবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে এসে লাইনে দাঁড়ালেও কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাই ও ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ঢোকানোর ঘটনায় ভোটাররা হতাশ হয়ে ঘরে ফিরে যাচ্ছেন। অনেক ভোটার নিরাপত্তার আশঙ্কায় কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী অভিযোগ করেন, উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী নাগরিক কমিটির প্রার্থী মনজুর আলম সিকদারের পক্ষে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। এখন মনজুর আলমের পক্ষের লোকজন ভোটকেন্দ্র দখল ও ব্যালট ছিনতাই করলেও প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। একই অভিযোগ করেন, জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী আ স ম শাহরিয়ার চৌধুরী।
তবে ভোটকেন্দ্র দখল ও ব্যালট ছিনতাইয়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে মনজুর আলম সিকদার বলেন, অন্য প্রার্থীরা পরিকল্পিতভাবে ভোটকেন্দ্র দখল ও ব্যালট ছিনতাই করে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার রটাচ্ছেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও মো. মমিনুর রশিদ বলেন, গোলযোগের কারণে চারটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যান্য কেন্দ্রের নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে।
Monday, September 23, 2013
বন্যা নিয়ন্ত্রন গাইড ওয়াল নির্মাণের ৬ মাসের মাথায় ভেঙে গেছে
কুতুবদিয়ায় গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষনের জন্য কুতুবদিয়া উপজেলার দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের কিলোমিটার সড়কের বন্যা নিয়ন্ত্রিন গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ায় পথচারীরা চলাচলে মারাত্মক দূর্ভোগ পোহাচ্ছে।

উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর অর্থায়নে বরাদ্দের কাজ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় (এলজিইডি) কুতুবদিয়া উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে প্রক্কলন তৈরী করে নির্মিত দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল নির্মানের ৬ মাসের মাথায় ভেঙে যাওয়ায় ঐ এলাকার প্রায় দুই হাজার পথচারীর চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপির সদস্য মোক্তার আহমদ মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর ) কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নিকট কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোহামদ মহসীন জানান, গত ২০১১-১২ অর্থ বছরের উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর অর্থায়নে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য প্রায় ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ৮০ ফুট লম্বা গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়।
গত শুস্ক মৌসুমে গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়। চলতি বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানির স্রোতের চাপে গাইড ওয়ালের পাশের মাটি সরে যাওয়ায় ওয়ালটি ভেঙে পড়ে। অবশ্য রাস্তার গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ার ঐ এলাকায় পূণমেরামত করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হবে।
স্থানীয় ইউপির সদস্য মোক্তার আহমদ বলেন, গত বৈশাখ মাসের শুস্ক মৌসুমে কিলোমিটার রাস্তায় বন্যা নিয়ন্ত্রন গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়।
কাজের গুণগতমান নিম্নমানের ইট,বালি ও সিমেন্ট কম ব্যবহার করায় নির্মাণের ৬ মাসের মাথায় গাইড ওয়ালটি ভেঙে যায়।
বর্তমানে এ রাস্তায় দিয়ে পথচারীদের যাতায়াতের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ প্রকল্পের ঠিকাদার মৌলভী ইলিয়াছ জানান, স্থানীয় জনগনের সহযোগিতায় গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছে। কাজে ক্রুটি ছিলনা। গত ২০১১-১২ অর্থ বছরে ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছে। বন্যার পানির স্রোতের চাপে ওয়ালটি ভেঙে গেছে।

উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর অর্থায়নে বরাদ্দের কাজ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় (এলজিইডি) কুতুবদিয়া উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে প্রক্কলন তৈরী করে নির্মিত দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল নির্মানের ৬ মাসের মাথায় ভেঙে যাওয়ায় ঐ এলাকার প্রায় দুই হাজার পথচারীর চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপির সদস্য মোক্তার আহমদ মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর ) কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নিকট কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোহামদ মহসীন জানান, গত ২০১১-১২ অর্থ বছরের উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর অর্থায়নে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য প্রায় ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ৮০ ফুট লম্বা গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়।
গত শুস্ক মৌসুমে গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়। চলতি বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানির স্রোতের চাপে গাইড ওয়ালের পাশের মাটি সরে যাওয়ায় ওয়ালটি ভেঙে পড়ে। অবশ্য রাস্তার গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ার ঐ এলাকায় পূণমেরামত করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হবে।
স্থানীয় ইউপির সদস্য মোক্তার আহমদ বলেন, গত বৈশাখ মাসের শুস্ক মৌসুমে কিলোমিটার রাস্তায় বন্যা নিয়ন্ত্রন গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়।
কাজের গুণগতমান নিম্নমানের ইট,বালি ও সিমেন্ট কম ব্যবহার করায় নির্মাণের ৬ মাসের মাথায় গাইড ওয়ালটি ভেঙে যায়।
বর্তমানে এ রাস্তায় দিয়ে পথচারীদের যাতায়াতের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ প্রকল্পের ঠিকাদার মৌলভী ইলিয়াছ জানান, স্থানীয় জনগনের সহযোগিতায় গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছে। কাজে ক্রুটি ছিলনা। গত ২০১১-১২ অর্থ বছরে ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছে। বন্যার পানির স্রোতের চাপে ওয়ালটি ভেঙে গেছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
eKutubdia Special
Recent Posts
Popular Posts
-
পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮২ সালে ক্ষমতা গ্রহনের পরে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপের আধ্যাত্বিক সাধক গাউসে মোখতার হযরতুল আল্লামা...
-
কামারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে জেল গেটে স্বজনেরা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামান বলেছেন, রাষ্ট্রপতির কাছে...
-
কুতুবদিয়ার আবদুল মালেক আল-কুতুবী মুহিউদ্দীন আ’জমী (রাহ.) প্রকাশ ‘কুতুবদিয়ার মালেক শাহ্ হুজুর’ এর দু’দিন ব্যাপী ১৫তম বার্ষিক র্ওস ও ফাত...
-
কুতুবদিয়ায় চুরির উপদ্রপ আশঙ্কাজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত এক সপ্তার মধ্যে উপজেলা সদর বড়ঘোপে ৪/৫টি ঘর-দোকান চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। হাতেনা...
-
কুতুবদিয়ায় লেমশীখালী ষ্টুডেন্ট এসোসিয়েশন‘র উদ্যোগে লেমশীখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশিষ্ট ইকোলজিষ্ট ও সামুদ্রিক বিজ্ঞানী মরহুম প্রফেসর ড.মোহ...